Free Tips and Trick

January 20, 2017

দেখে নিন কিভাবে ফেসবুক আইডি থেকে পেইজে রুপান্তর করতে হয়।

আশা করি সবাই ভাল আছেন। আজকে আপনাদের সাথে আলোচনা করবো কি করে একটা ফেসবুক প্রোফাইল কে ফেসবুক পেজে কনভার্ট করবেন।
প্রথমে এর কিছু শুবিধা অসুবিধা নিয়ে আলোচনা করব।
ফেসবুক আইডি থেকে পেইজ

এর শুবিধা সমুহ

  1. আপনার আইডি তে যত ফ্রেন্ড থাকবে পেইজে রুপান্তরের পর তত লাইক থাকবে। ফলে সহজেই একটা পেজে অনেক লাইক পেলেন। কেননা নতুন একটা পেইজ খুলে লাইক পাওয়য়া সহজ নয়।

অসুবিধা

  1. সব ডাটা মুছে যেতে পারে।
  2. পুনারায় আর ব্যাক করা সম্ভব না

তাহলে নিজেই চিন্তা করে ভেবে দেখুন কি করবেন। যারা তারপর্ ও upgrade করতে চান তারা নিচের নিয়ম মেনে কাজ করুন।

আপনার যদি একের অধিক ফেসবুক প্রোফাইল থাকে এবং আপনি যদি চান যে একটা প্রোফাইল রেখে অন্যটি পেজে কনভার্ট করবেন তাহলে এ টিউন টি আপনার জন্য। আপনি চাইলে আপনার ব্যাবসা বা অন্য কোন কিছুর নামেও করতে পারেন। এক্ষেত্রে ঐ প্রোফাইল এর সকল ফ্রেন্ড তখন ঐ পেজের ফ্যান এ কনভার্ট হয়ে যাবে।
যাহোক কাজের কথায় আসি। প্রথমে যে প্রোফাইল টি কনভার্ট করবেন সেটিতে লগিন করুন। তবে একটা কথা মনে রাখবেন আর সেটি হল যে নামে পেজটি করবেন তার আগে অবশ্যই প্রোফাইল এর নাম ঐ নামে করে রাখবেন কারন পেজে কনভার্ট করার সময় আপনার প্রোফাইল যে নামে থাকবে সেই নামেই পেজ এর নাম হবে সেটি পরিবর্তন করতে পারবেন না। প্রোফাইল এর নাম পরিবর্তন করার সময় সাবধানতার সাতে করবেন কারন একবার নাম পরিবর্তন করলে ৬০ দিনের আগে আর পরিবর্তন করতে পারবেন না। তবে যদি প্রোফাইল এর ফ্রেন্ড সংখ্যা ২০০ এর কম থাকে তাহলে পেজে কনভার্ট করার পরেও পেজের নাম পরিবর্তন করতে পারবেন।
এখন ঐ প্রোফাইল এ  লগিন অবস্থায় নিছের লিঙ্কে যান।
https://www.facebook.com/pages/create.php?migrate

এরপর যে কোন একটা ক্যাটেগরি নির্বাচন করুন।
ফেসবুক আইডি থেকে পেইজ

এরপর এখানে একটা ক্যাটেগরি নির্বাচন করে Get Started বাটন এ ক্লিক করুন।
ফেসবুক আইডি থেকে পেইজ
এখন যেসব তথ্য চায় সেসব তথ্য দিন বাস কাজ শেষ।
আপনি চাইলে এই প্রোফাইল এর ইউজারনেম এবং পাসওয়ার্ড দিয়ে লগিন করে এই পেজ ম্যানেজ করতে পারেন অথবা setting>Page Roles এ গিয়ে আপনি যাকে অ্যাডমিন বানাতে চান তার ইমেইল অ্যাড করে নিন এবং তার অ্যাক্সেস যেন Admin হয়।
ফেসবুক আইডি থেকে পেইজ

ব্যাস এখন থেকে আপনি এই পেজকে যে প্রোফাইল কে অ্যাক্সেস দিবেন সেখান থেকে ম্যানেজ করতে করতে পারবেন। সবাই ভাল থাকবেন।

সার্চ ট্যাগঃ
ফেসবুক আইডি থেকে পেইজ, ফেসবুক আইডিকে পেজ স্কিনশট সহ, facebook id to page convert in bangla
Share:

কিভাবে আপনার সাইটের কন্টেন্টের জন্য কিওয়ার্ড খুজে পাবেন যাতে সার্চ রেজাল্টের প্রথমে আসে।

আপনি হয়তো একটি পোস্ট লিখলেন আপনার সাইটে। যেটির নাম/টাইটেল "২০১৭ সালের সেরা সব মুভি" । এখন এই লেখাটি হুবহু লিখে সার্চ দিলে গুগুল আপনার সাইটটি প্রথমে শো করাবে।কিন্তু ইউজাররা যে হুবহু লিখে সার্চ করবে তা বলা যায় না। হয়তো তারা এভাবেও সার্চ দিতে পারে "২০১৭ এর জনপ্রিয় মুভি গুলোর নাম" তাহলে কিন্তু আপনার সাইট রেজাল্টে আসার সম্ভবনা খুবেই কম। কারন এই রুকুম পোস্ট  আরও অনেক আছে। এই সমস্যাটি দূর করার জন্যই আজ আপনাদের দেখাবো কিভাবে আপনার সাইটের কন্টেন্টের জন্য কিওয়ার্ড খুজে পাবেন যাতে সার্চ রেজাল্টের প্রথমে আসে।
কিভাবে আপনার সাইটের কন্টেন্টের জন্য কিওয়ার্ড খুজে পাবেন যাতে সার্চ রেজাল্টের প্রথমে আসে।

এই জন্য প্রথমে এই লিংকে যান। এখানে খালি বক্সে আপনার পোস্টের নামটি সংক্ষিপ্ত করে লিখুন। যেমন- মুভি
এরপর নিচের স্কিনশটের মতো করে লিখে সার্চ দেন।
কিভাবে আপনার সাইটের কন্টেন্টের জন্য কিওয়ার্ড খুজে পাবেন যাতে সার্চ রেজাল্টের প্রথমে আসে। 
এবার আপনার কিওয়ার্ড গুলো কপি করতে কপি অল এ ক্লিক করুন। তাহলে সব গুলো কপি হয়ে যাবে।এরপর কিওয়ার্ড গুলা আপনার পোস্টের নিচে পেস্ট করুন।যেমন-
সার্চ ট্যাগঃ
কিওয়ার্ড রিসার্চ,কিওয়ার্ড কি,কিওয়ার্ড,কিওয়ার্ড বাছাই,কিওয়ার্ড ডেনসিটি

লাইন ব্রেকার সরিয়ে কমা ব্যবহার করার জন্য এই পোস্টি দেখুন-
এর মাধ্যমে আপনি আপনার ওয়েব সাইট, আমাজান এর পণ্য, ইউটিউব ভিডিও ইত্যাদির জন্য কিওয়ার্ড পাবেন। ধন্যবাদ।


সার্চ ট্যাগঃ
ইউটিউব ভিডিও এর জন্য ট্যাগ, ওয়েবসাইটের পোস্টের জন্য ট্যাগ,ইউটিউব ভিডিও এর জন্য কিওয়ার্ড, ওয়েবসাইটের পোস্টের জন্য কিওয়ার
Share:

কিভাবে ওয়েবসাইট থেকে আয় করে? জেনে নিন ওয়েবসাইট থেকে আয় করার অনেকগুলো উপায়।

প্রায় সময়েই অনেকের সামনে আমাকে একটি প্রশ্নের সম্মুখিন হতে হয় যে, আমি কি ব্যক্তিগতভাবে ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করে অন-লাইন হতে টাকা উপার্জন করতে পারব? অধিকাংশ লোক এ বিষয়ে পরিষ্কারভাবে জানার জন্য অধীর কৌতুহলী আগ্রহ নিয়ে প্রশ্নটি করেন। প্রশ্নকারীকে সহজে বুঝানোর স্বার্থে যে কোন অন-লাইন মার্কেটার প্রশ্নটির উত্তর এক কথায় দেবেন, হ্যা। তখন এই উত্তরের প্রেক্ষিতে আরোও অসংখ্য প্রশ্ন অটোমেটিক্যালি আসতে থাকবে। তাহলে কিভাবে করব, কি করতে হবে এবং কিভাবে বেশী আয় করব, ইত্যাদি ইত্যাদি?
কিভাবে ওয়েবসাইট থেকে করে? জেনে নিন ওয়েবসাইট থেকে আয় করার অনেকগুলো উপায়
অন-লাইন হতে আয় করার ক্ষেত্রে ব্যবসায়িক ও প্রাতিষ্ঠানিক কোম্পানীগুলির জন্য যতটা না কঠিন, তার চাইতে অধিক কঠিন কোন পার্সনাল ব্লগ হতে ব্লগিংয়ের মাধ্যমে আয় করা। কারণ কোন ভালমানের কোম্পানী তাদের পরিচিতি ও জনপ্রিয়তার কারনে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজেশনের অনেক নিয়ম-কানুন অনুসরণ না করেও পর্যাপ্ত ভিজিটর পেয়ে যান। ফলে দেখা যায় পর্যাপ্ত ভিজিটর থাকার কারনের তারা খুব সহজে যে কোন ধরনের CPC বা CPM টাইপের বিজ্ঞাপন ব্যবহারের অনুমোদন পেয়ে যান। অধিকন্তু তাদের জনপ্রিয়তার কারনে বিভিন্ন Local Advertising কোম্পানীর কাছ থেকে বিভিন্ন ধরনের বিজ্ঞাপন প্রদর্শনের অফার পেয়ে ভালমানের টাকা উপার্জন করতে সক্ষম হন।
অন্যদিকে ব্যক্তিগত ব্লগের ক্ষেত্রে বিষয়টি সম্পূর্ণ ভিন্ন এবং কঠিনতর হয়। কারণ প্রাথমিক অবস্থায় আপনি যখন ব্লগিং শুরু করবেন, তখন আপনার ব্লগটি কেউই চিনবে না। সে ক্ষেত্রে সবার কাছে পরিচিত করার জন্য সার্চ ইঞ্জিনের সকল নিয়ম যথাযথভাবে অনুসরণ করে আপনার ব্লগের বিষয়ের সাথে সম্পৃক্ত অন্য ব্লগগুলিকে পিছনে ফেলে নিজের ব্লগটিকে সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় নিয়ে আসতে হবে। ভালমানের কনটেন্টের সমন্বয়ে যখনই আপনি এ কাজটি করতে সক্ষম হবেন, কেবল তখনই আপনি আপনার ব্লগ থেকে আশানুরূপ আয়/ফলাফল পাওয়ার আশা করতে পারেন। কারন যখন আপনার ব্লগে পর্যাপ্ত পরিমানে ভালমানের কনটেন্ট থাকবে এবং পোষ্টগুলি সার্চ রেজাল্টের প্রথম পাতায় আসতে থাকবে, তখন আপনার ব্লগে ভিজিটর বৃদ্ধি করার জন্য চিন্তা করতে হবে না। তবে এই পুরো কাজটি আপনাকে একা করার ক্ষেত্রে প্রচুর পরিমানে ধৈর্য্য ধারন করে একাগ্রতার সাথে দীর্ঘ দিন পরিশ্রম করে যেতে হবে। উল্লেখ্য যে, বিশেষ করে ব্যক্তিগত ব্লগে CPC বা CPM বিজ্ঞাপন ব্যবহারের ক্ষেত্রে যার ব্লগে যত বেশী ভিজিটর থাকবে সে তত বেশী আয় করতে পারবে।
নিচে আমরা সবচাইতে সহজ এবং দীর্ঘ মেয়াদী আয় করার মত ০৩ টি উপায় দেখাব, যেখান থেকে আপনার ব্যক্তিগত ব্লগে আর্টিকেল পাবলিশ করে টাকা আয় করতে পারবেন।

Google AdSense

সম্ভবত অন-লাইন ভিত্তিক বিজ্ঞাপনি কোম্পানীর মধ্যে Google AdSense হচ্ছে সবচেয়ে পরিচিত এবং জনপ্রিয় বিজ্ঞাপন নেটওয়ার্ক। বিশেষ করে অধিকাংশ নতুন ব্লগাররা Google AdSense ব্যতীত অন্য কোন ধরনের অন-লাইন বিজ্ঞাপন সম্পর্কে ধারনাই নেই। Google AdSense এ বিজ্ঞাপন দাতা এবং বিজ্ঞাপন ব্যবহারকারীর সংখ্যা বেশী হওয়াতে এবং বিশ্বস্ততার কারনে এটি সবার কাছে জনপ্রিয় হয়ে উঠেছে। একজন নতুন ব্লগারের জন্য AdSense এর মাধ্যমে অন-লাইন হতে ভালমানের টাকা আয় করার সবচাইতে সহজ এবং বিশ্বস্ত একটি প্লাটফর্ম।
সাধারণত Google AdSense ব্লগ এবং কনটেন্টের কোয়ালিটির উপর ভিত্তি করে বিজ্ঞাপন প্রদর্শন করে এবং ক্লিক প্রতি (CPC) মূল্য প্রদান করে থাকে। এ ক্ষেত্রে ব্লগের বিজ্ঞাপনের উপর যত বেশী Unique ক্লিক পড়বে, আপনার ব্লগের আয় তত বেশী হবে। এ ছাড়া Google AdSense ব্লগের Page View (CPM) হিসেব করেও বিজ্ঞাপনের মূল্য প্রদান করে থাকে। এটির মূল্য ব্লগের র‌্যাংক এবং কনন্টের Value এর উপর ডিপেন্ড করে। আমরা ইতিপূর্বে Google AdSense নিয়ে একটি সিরিজের মাধ্যমে কয়েকটি পোষ্ট শেয়ার করেছি। আপনি উপরের লিংক থেকে সবগুলি পোষ্ট পড়ে নিলে অল্প দিনে AdSense অনুমোদন করে নিতে সক্ষম হবেন।

BuySellAds

এটিও একটি উন্নতমানের High Paying বিজ্ঞাপনি সংস্থা। তবে BuySellAds এর পলিসি এবং বিজ্ঞাপনের মূল্য Google AdSense এর চাইতে সম্পূর্ন ভিন্ন। সাধারণত একটি ব্লগে যখন প্রচুর পরিমানে ভিজিটর থাকে তখন ব্লগের মালিক ব্লগের বিভিন্ন স্থানে বিজ্ঞাপনের স্থান হিসেবে নির্ধারিত মাপের Space তৈরী করে BuySellAds পাওয়ার জন্য আবেদন করেন। তখন তারা যদি আপনার ব্লগটি তাদের বিজ্ঞাপনের জন্য উপযুক্ত মনে করে, তাহলে আপনার ঐ বিজ্ঞাপনের Space গুলি নির্ধারিত সময়ের জন্য বিভিন্ন দামে বিক্রি করতে পারবেন। এ ক্ষেত্রে আপনি Google AdSense এর চাইতে অনেক বেশী পরিমানে টাকা উপার্জন করতে পারবেন।

তবে Google AdSense অনুমোদন করা যতটা না কঠিন তার চাইতে অনেক বেশী কঠিন BuySellAds অনুমোদন করা। আপনার ব্লগের জনপ্রিয়তা বৃদ্ধির পাশাপাশি যখন প্রচুর পরিমানে ভিজিটর বাড়তে থাকবে, কেবল তখনই আপনি BuySellAds অনুমোদন পাওয়ার আশা করতে পারেন। সাধারণত কারো ব্লগে যখন মাসিক ৫০/৬০ হাজার ইউনিক Page View থাকে, তখন ব্লগটি BuySellAds এ আবেদন করার যোগ্য হয়েছে বলে ধরতে পারবেন।

Affiliate Ads

এটি হচ্ছে কমিশন ভিত্তিক অন-লাইন বিজ্ঞাপন। Affiliate Marketing এমন একটি মাধ্যম যেখানে পাবলিশার এবং প্রোডাক্ট প্রস্তুতকারি একত্রে সম্মেলিত হয়ে প্রোডাক্ট মার্কেটিং ও বিক্রি করে প্রফিট ভাগাভগি/কমিশন করে নেয়।

মনেকরুন আপনার একটি ভালমানের ব্লগ আছে, যেখানে প্রতিদিন প্রচুর পরিমানে লোক ভিজিট করে। তাহলে আপনি আপনার ব্লগের কনটেন্ট রিলেটেড বিজ্ঞাপন দিয়ে ভিজিটরকে আকৃষ্ঠ করে প্রোডাক্ট প্রস্তুতকারি/বিক্রেতা প্রতিষ্ঠানের ওয়েবসাইটে পাঠিয়ে দিলেন। ফলে আপনার ব্লগের মাধ্যমে ঐ প্রতিষ্ঠান তার কিছু প্রোডাক্ট বিক্রি করে নিল। এ ভাবে ভিজিটর প্রদান বা প্রোডাক্ট বিক্রির চুক্তি আনুযায়ী আপনি পেমেন্ট গ্রহন করবেন। Affiliate Marketing বিষয়টির জনপ্রিয়তা দিনের পর দিন বেড়েই চলছে।

সর্বশেষঃ আমরা বর্তমান সময়ের সবচাইতে গুরুত্বপূর্ণ এবং সহজ বিষয়গুলির মাধ্যমে পার্সনাল ব্লগারদের কয়েকটি আয়ের উৎস সম্পর্কে অবগত করার চেষ্টা করেছি। আপনি যদি ব্লগে নিয়মিতভাবে ভালমানের কনটেন্ট শেয়ার করার পাশাপাশি যথারীতিনুসারে সার্চ ইঞ্জিন অপটিমাইজ করে আপনার ব্লগে প্রচুর পরিমানে ভিজিটর বৃদ্ধি করে জনপ্রিয়তা বৃদ্ধি করতে পারেন, তাহলে একসাথে ০৩ টি বিজ্ঞাপন ব্যবহার করে Smart Amount Income করে নিতে পারবেন।
Share:

Green-red.com থেকে ওয়েবসাইট দিয়ে আয় করার উপায়। বিস্তারিত সহ।



G&R মানে হলো Green and Red..
সবুজ এবং লাল…
লাল সবুজ এর সাথে আমাদের দেশের একটা গভীর টান আছে……… হুম…
আমাদের দেশের ইন্টারনেট জগতের জন্যই কাজ করে যাচ্ছে এই এড নেটওয়ার্ক কোম্পানী টা…
গ্লোবাল ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ড এ যেখানে বাংলা ভাষা বঞ্চিত… সেখানে G&R বাংলা ভাষাকে নিয়ে এসেছে এক অনন্য মর্যাদায়…
যদি আমরা গ্লোবাল ইন্টারনেট ওয়ার্ল্ড এ বাংলা ভাষার মূল্য এর দিকে তাকাই দেখা যাবে বাংলা কন্টেন্ট কে অনেক এড নেটওয়ার্ক ই সাপোর্ট করে না… যদি cpc/cpm এর দিকে নজর দেয়া হয়…
বাংলা ভাষার জন্য সেটা হয়ে যায় নামে মাত্র।
যেন এক অবহেলার চোখে দেখা হচ্ছে পুরো
বাংলা কে…
বাংলা কন্টেন্ট এর এই দুর্দশা এর সময়ে G&R Ad Network যেন এক আশির্বাদ এর নাম।

http://www.green-red.com

কীভাবে কাজ করবেন G&R Ad Network এর সাথে?

  • আপনার একটি ওয়েবসাইট অথবা নিজস্ব এন্ড্রয়েড এপ থাকলেই এই এড নেটওয়ার্ক এর সাথে কাজ করতে পারবেন।
  • ওয়েবসাইট বা এপ সাবমিট করতে চাইলে লিংক টায় যান-  http://www.green-red.com/publishers
  • তারপর আপনার সাইট যদি তাদের পলিসি কে মেনে চলে [এডাল্ট কন্টেন্ট না থাকে/ভিসিটর মোটামোটি থাকে] তবে এপ্রোভ হয়ে যাবে ।
  • এপ্রোভ হওয়ার পর এখানে গিয়ে আপনার সাইটের সাথে মানানসই এড কোড তৈরী করতে হবে এবং সেটা বসাতে হবে। যদি আপনার সাইটে মোবাইল/ ওপেরা মিনি এর ভিসিটর থাকে তবে 320*50 এবং 300*250 এই দুই সাইজের এড কোড ব্যবহার করতে পারেন।  http://www.green-red.com/adnetwork/publisher/properties
  • cpc বা cost per click বা প্রতি ক্লিকে আয় এড ক্যাম্পেইন এর উপর নির্ভর করে । তবে গোগোল এডসেন্স এর মতোই বা মাঝে মাঝে তার চাইতেও ভালো। ক্লিক প্রতি ২-৩ টাকা দেয়।
  • পেমেন্ট বিকাশ অথবা চ্যাক এর মাধ্যমে পেতে পারেন এবং পেমেন্ট এর ব্যাপারে তাদের উপর ১০০% বিশ্বাস রাখতে পারেন বাংলাদেশ এর জনপ্রিয় কিছু ওয়েবসাইট তাদের এড ব্যবহার করছে ।
বিঃদ্রঃ আমি মূলত G&R থেকে আর্থিক ভাবে এই পোষ্ট দেয়ার জন্য কোন লাভবান হবো না…
কারন আমি কোন রেফার লিংক ব্যবহার করিনি এবং রেফার সিষ্টেম ও নেই তাদের…
কোনো সমস্যা হলে জানাবেন অবশ্যিই।
Share:

January 18, 2017

কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও তার উত্তর যা আপনার জেনে রাখা উচিৎ।

আশা করি ভালোই আছেন।আমি আজ আপনাদের সাথে শেয়ার করতে যাচ্ছি কিছু গুরুত্বপূর্ণ প্রশ্ন ও তার উত্তর যেগুলো জানা আপনার জন্য একান্ত প্রয়োজন।তো চলুন শুরু করি আমার আজকের টিউন ——

ইংরেজি সাল থেকে বাংলা সাল এবং বাংলা সাল থেকে ইংরেজি সাল বের করতে হয় কীভাবে?

→ইংরেজি সাল থেকে ৫৯৩ বিয়োগ করলে বাংলা সাল পাওয়া যাবে। তেমনি বাংলা সাল থেকে ইংরেজি সাল বের করতে হলে ৫৯৩ যোগ করতে হবে তাহলে বেরিয়ে আসবে।

অভয়ারণ্য কি?

→যে অন্ঞলের বন্যপ্রাণী ও গাছপালা আইনের দ্বারা মানুষের ক্ষতিকর কর্মকান্ডের প্রভাবমুক্ত সেসব অন্ঞলকে অভয়ারণ্য বলে।

বিশ্বের বৃহত্তম সেতুর নাম কী?

→ ড্যানইয়ং-কানসান গ্রান্ড ব্রিজ।১,৬৪,৮০০ মি.(৫,৪০,৭০০ ফুট)। এটি চীন দেশে অবস্থিত।

ইংরেজি “C” বর্ণ এর উচ্চারন কখন “ক” ও কখন “স” বা”ছ” হয়?

→সাধারণত e,i বা y এর পূর্বে বসলে c এর উচ্চারণ স বা ছ এর মত হয়। এবং a,o, u বা ব্যন্জনবর্নের পূর্বে বসলে এর উচ্চারণ ক হয়।

শীতকালে ঠোঁট ফেটে যায় কেন?

→ শীতকালে বাতাস শুষ্ক থাকায় এবং ঠোঁটে কোনো তৈলাক্ত না থাকায় শুষ্ক বাতাস ঠোঁট থেকে জলীয় পদার্থকে বাষ্পীভূত করে বলে ঠোঁট ফেটে যায়।

সুপারমুন কেন দেখা যায়?

→ সুপারমুন হলো চাঁদের একটি দশা বা অবস্থা। চাঁদ পৃথীবির খুব কাছে অবস্থান করলেই চাঁদকে পূর্ণ গোলাকার,তুলনামূলক ভাবে অনেক বড় ও উজ্জ্বল দেখায়,যাকে সুপারমুন বলে।

প্রিজারভেটিব কী?

→ প্রিজারভেটিব হলো প্রাকৃতিক বা কৃত্রিম উপায়ে প্রাপ্ত কোনো পদার্থ যা খাদ্য,ফার্মাসিউটিক্যল,রং, কাঠ, ইত্যাদিতে যোগ করা হয়।ফলে অণুজীব কতৃক এদের বিয়োজন, যে কোনো ধরণের অনাকাঙ্ক্ষিত রাসায়নিক পরিবর্তন বা পচন থেকে এদের রক্ষা করে।

খাবার পানিতে কী কোনে ভিটামিন থাকে?

→ খাবার পানিতে কোনো ভিটামিন থাকে না । তবে মাটির নিচ থেকে তোলা পানিতে বিভিন্ন খনিজ পদার্থ থাকে এবং অধিকাংশ খাবার পানিতে ক্লোরাইড থাকে।

সবুজ বিপ্লব কাকে বলে?

→ বৈজ্ঞানিক যন্ত্রপাটি, সেচব্যবস্থা, উন্নত বীজ ইত্যাদি প্রচলেনের মাধ্যমে ফসলের উৎপাদন ব্যাপকহারে বৃদ্ধি করাকেই বলে সবুজ বিপ্লবী।

আরও পেতে সাথেই থাকুন।
আরও কিছু পোস্টঃ
  1. বাংলাদেশে আন্তর্জাতিক ভাবে স্বীকৃত দিবস সমূহের নাম ও তারিখ। 
  2. পড়ালেখা করার সঠিক সময় ও সঠিক নিয়ম জেনে নিন। 
Share:

January 17, 2017

ভালবাসার গল্প - অদৃশ্য অনুভূতি।

 
সেদিন জাতীয় গ্রন্থাগারের সামনে ফুটপাতের এক বইয়ের দোকানে কার্ল মার্কসের "ডাস ক্যাপিটাল "বইটা পেয়ে খুব মনযোগ সহকারে উল্টিয়ে পাল্টিয়ে দেখছিলাম। হঠাৎ চোখ অন্যদিকে ফেরাতেই দেখি আদৃতা ইশতিয়াকের সাথে এক প্লেটে ফুচকা খাচ্ছে।
ভূত দেখার মতো চমকে উঠলাম কিছুটা!

.
আদৃতা আমার ক্লাসমেট ছিল, চার বছরের প্রেমিকাও।
যেদিন মাস্টার্সের ভাইভা দিলাম সেদিনই আদৃতার সাথে আমার ব্রেক আপ হয়ে গেল।অর্থাৎ ইউনিভার্সিটির শেষ দিনে এসে আদৃতাকেও হারালাম।তারপর প্রায় দুটো বছর কেটে গেছে, আদৃতার সাথে আর যোগাযোগ হয়নি আমার,চোখের দেখা তো আরো পরের ব্যাপার।
.
আজ হঠাৎ আদৃতাকে দেখলাম, সাথে ইশতিয়াক।
ইশতিয়াক আমাদের সহপাঠী ছিল, আদৃতাকে পছন্দ করত। আদৃতার সাথে আমার সম্পর্ক আছে জেনেও ইশতিয়াক আদৃতাকে প্রপোজ করেছিল, ফোন দিয়ে এটা সেটা বলত। আদৃতা আমাকে এ ব্যাপারে জানাত, কিন্তু আমি কিছু মনে করতাম না। এর কারণ ছিল বেশ কয়েকটা। আমি আদৃতাকে বিশ্বাস করতাম খুব আর এটাও জানতাম আদৃতা কখনোই ইশতিয়াকের প্রতি দূর্বল হবে না কারণ ইশতিয়াককের মধ্যে ঈর্ষা করার মতন তেমন কিছুই খুঁজে পেতাম না আমি, যা আমার মধ্যে ছিল না।তাছাড়া ইশতিয়াক আমাদের ক্লাসমেট ছিল, আদৃতাকে ভাল লাগা এবং সেটা প্রকাশের অধিকার অবশ্যই ওর ছিল। আমি কখনোই চাইনি আদৃতার কাছে সংকীর্ণ মনের পরিচয় দিতে।
.
আমাদের ব্রেক আপের পেছনেও ইশতিয়াকের কোন ভূমিকা ছিল না। কলেজ লাইফে আদৃতার একটা ছেলেকে ভাল লাগত, কিন্তু আদৃতা কখনোই সেই ছেলেকে এই কথাটা বলেনি। মাস্টার্সে এসে আদৃতার সাথে সেই ছেলেটার যোগাযোগ হয় আবার,আদৃতা ওর দুর্বলতার কথা ছেলেটিকে জানায়। কিন্তু ছেলেটার অন্যত্র রিলেশন তখন। এই সমস্ত ব্যাপারটা আমি জানতে পারি, আমার তাতেও আপত্তি ছিল না কেননা আদৃতাকে আমি ভালবেসেছিলাম। আমি সব মেনে নিতে পারতাম, শুধু মানতে পারিনি এটা আদৃতা আমার সাথে রিলেশনের ব্যাপারটা সেই ছেলের কাছে গোপন করেছে।
.
সন্দেহ একবার আসলে সেটা একটা সম্পর্ককে শেষ পর্যায়ে না নিয়ে সরে না একবিন্দু। এই নিয়ে তিক্ততার সৃষ্টি হলো, অভিযোগ, পাল্টা অভিযোগ!
অভিমান! কিন্তু সেই অভিমান ভাঙানোর মতন মনের অবস্থা তখন কারো নয়।সেই নিয়ে আবার বাদ-বিবাদ!
সব শেষে বিচ্ছেদ।
.
একে তো ইউনিভার্সিটির সেই সোনালি সময় হারালাম, তারপর আবার আদৃতাকে। চার বছরের সম্পর্কও নিতান্তই কম সময় নয়। সব মিলিয়ে এতটাই বিষণ্ণ থাকতাম যে,পরের একটা বছর আমার জীবন থেকে কিভাবে হারিয়ে গেল আমি বুঝে উঠতে পারলাম না এতটুকুন।
.
তারপরে আরো একটা বছর গেল।
এসময়ে আদৃতাকে কিছুটা মনের আড়াল করতে পেরেছিলাম আমি।
কিন্তু আমার ধারণারও বাইরে ছিল ইশতিয়াকের সাথে এই সময়টাতে আদৃতার যোগাযোগ থাকতে পারে।
আজ এক প্লেটে ফুচকা খাওয়া অনেক রকম অর্থই বহন করে।
.
আমি দ্রুত সরে পড়ব সেখান থেকে, কিন্তু আদৃতা দেখে ফেলল আমাকে; চোখে চোখ আটকে গেল। আমি স্পষ্ট অনুভব করলাম আদৃতা কেঁপে উঠল খানিকটা। হয়তো ওর শরীরের লোম ততক্ষণে দাঁড়িয়ে গেছে।
.
আমি কিছু না বলে একটু এগিয়ে ফুটপাতের একটা দোকান থেকে একটা সিগারেট ধরিয়ে হাটছিলাম, কষ্ট হচ্ছিল খুব। এতদিন ভুলে থাকতে পারলেও, আজ যেন সমস্ত ব্যথারা একসাথে মোচড় দিয়ে জেগে উঠলো হৃদয়ের মধ্যে। ওদের দুজনকে আজ একসাথে দেখে শঙ্খ ঘোষের একটি কবিতার কয়েকটি চরণ মনে পড়ছিল খুব,
.
দুইজনে পাশাপাশি, মাঝে কি পথিক নেই কোনো,
এখন দেবতা দেখুক দুনয়নে,
শিশিরে পায়ের ধ্বনি সুদূরতা অধীর জলধি
শুধু বহে যায় হাওয়া ।
আজ আর কেউ নেই, মাঝে মাঝে কার কাছে যাব ।
.
সেদিন রাতে দুটো ঘুমের ওষুধ ডেনিক্সিল খেয়ে লাইট অফ করে চুপচাপ শুয়েছিলাম। কখনো কখনো মনের বিষণ্ণতা নিরুপণের একটা যন্ত্র আবিষ্কারের প্রয়োজনীয়তা অনুভূত হয় খুব, কিন্তু মনটাই তো বিমূর্ত!
যা দেখা যায় না তার আবার মাপকাঠি কি?
আদৃতার সাথে স্মৃতিগুলো, আমাকে কুরে কুরে খাচ্ছিল মাঝরাতে। কখন ঘড়িতে দুটো বেজে গেছে,খেয়াল করিনি।
.
এতরাতে অপরিচিত একটা নাম্বার থেকে ফোন এলো।
রিসিভ করব না ভাবছিলাম, তবু রিসিভ করে ফেললাম।
-হ্যালো। কে?
ও পাশে থমথমে নিরবতা।প্রায় একমিনিট পর।
-আমি, চিনতে পারছিস?
-আদৃতা?
-হু, কেমন আছিস রে?
এবার আমি চুপচাপ। বেশ কিছুক্ষণ কেটে গেল।
আদৃতাই আবার বলল,
-তোর সাথে আমার কিছু কথা আছে, শোন, প্লিজ তুই ফোনটা রেখে দিস না।
-বল?
- আগে বল আমার কথা শেষ না হওয়ার আগে তুই ফোন রাখবি না?
-না রাখব না। বল?
-নারী হৃদয়ে শূন্যতা যে কি সে তোরা ছেলেরা বুঝবি না কিছুতেই, কি করে বুঝাব তোকে? তোর সাথে ব্রেক আপ হবার পর আমি ভেঙে পড়েছিলাম খুব, নাওয়া খাওয়া ছেড়ে একেবারে যেন কৃষ্ণের জন্য চির বিরহিণী রাধা। কিন্তু আমাদের মধ্যে বিশ্বাসের জায়গাটা হারিয়ে গিয়েছিল, আমরা আর একত্র হতে পারতাম না রে। যে কারণে ফিরিনি আর তোর কাছে,এতটা শূন্যতা বুকে চেপেও।
.
- আচ্ছা তারপর?
.
-আমার সেইদিনগুলোতে ইশতিয়াক নক করে যেত, হাজার রকম প্রসেসে তবু এভোয়েড করে যেতাম ওকে দিনের পর দিন। ও এভাবে এক বছর পর্যন্ত নক করেছে, আমি এড়িয়ে গেছি। এক বছর পর ওর জন্য মায়া হলো খুব, যে ছেলেটা তোর সাথে আমার সম্পর্ক থাকা অবস্থা থেকে নক করে আসছে তার ভালবাসায় সাড়া না দিতে পারি, তবে তুচ্ছ করার শক্তি আমার ছিল না। সঙ্গত কারণেই বন্ধুত্ব হয় ইশতিয়াকের সাথে, কথা বার্তায় আন্তরিকতা আসে।
.
-হু?
.
- তুই তো আমাকে তোর নিজের লিখা একটা কবিতা শুনিয়েছিস, কতবার! সেই কবিতার একটা লাইন ছিল,
একটা হৃদয়ের সবটা শুধু একজনের নয়!
জানিস দিনে দিনে তোর কথাটাই সত্যি হয়ে উঠলো, ইশতিয়াকের প্রতি কিছুটা দুর্বলতা আসল আমার মনে, তবে বিশ্বাস কর অতটা নয় যতটা তোর চোখে চোখ রেখে আমি অনুভব করতাম। তবু ইশতিয়াকের পীড়াপীড়ির মাত্রা আমার ধৈর্যচ্যুতি ঘটাল, আমি সায় দিলাম। আমাদের সম্পর্কের বয়স এক মাস পূর্ণ হল কাল। শুনছিস?
.
- হ্যাঁ বল। ( এই দুটো শব্দ উচ্চারণ করতে যেয়ে আমি বাকরুদ্ধ হয়ে পড়ছিলাম, আওয়াজ বেরুচ্ছিল না। চোখ দুটো ভিজে উঠছিল)
.
-তুই কাঁদছিস? না?
-না।
-মিথ্যে বলছিস কেন অরণ্য?
- আদৃতা তোর মনে আছে সেই কথা, সেই দিন? আমরা দুজনে মিলে সিদ্ধান্ত নিয়েছিলাম আমাদের সন্তান হলে
তাদের বর্ণমালা শেখাব এভাবে "অ তে অরণ্য " আ তে আদৃতা।" আমাদের সেই দিনগুলো মিছে হয়ে গেল রে।
.
-হ্যাঁ অরণ্য। (এবার আদৃতা কেঁদে ফেলল বেশ শব্দ করেই)
.
-আমিও নিজেকে সংবরণ করতে না পেরে, অনেকটা কান্না জড়িত কণ্ঠে বলে ফেললাম তবে তুই কেন করছিল অইসব অই ছেলেটার সাথে, আমাকে কিছু না জানিয়ে?
.
-আমাকে ক্ষমা করে দিস, আমি বুঝতে পারিনিরে।চারটা বছরে হৃদয়ের কতটা জায়গা নিয়েছিলি তুই, যেদিন পাশে ছিলি বুঝতে পারিনি। যখন চলে গেলি তখনি বুঝেছি ওই ছেলেটা শুধু ভাল লাগাই ছিল,ভাল আমি তোকেই বেসেছিলাম। বাদ দে সেসব কথা।
কেমন আছিস রে তুই? কি করছিস?
.
-আজ এতদিন পরে বুঝি তোর ইচ্ছে হল জানতে? তবু দুপুর বেলা তোর সাথে দেখা না হলে তুই কি ফোন করতিস আমায়? করতিস না।
.
-সেসব আমি কিছুই জানি না, শুধু তোর চোখের দিকে তাকিয়ে মনে হয়েছিল তুই ব্যথা পেয়েছিস অরণ্য। আকাশের মতন সীমাহীন যে অরণ্যের হৃদয় ছিল, সেও যেন হৃদয়ের ব্যথায় নীল হয়ে উঠছিল! বেদনার রঙ সত্যিই নীল! মনে হলো সত্যিটা না জানলে তুই ঘৃণা করে যাবি আমায় আজীবন, আর আমি মরমে মরমে মরে যাব!
.
-আমার কথা থাক আদৃতা। কেমন আছি এটা জেনে আর কি হবে? কি করছি এটা জেনে দরকার কী!
একজন অখ্যাত কবির একটি কবিতার দুটো চরণ মনে পড়ছে,
প্রিয় অন্ধকার
যেখানে নিজেকে লুকানো যায়!
অন্ধকার আমার প্রিয় রে আজকাল, আলোতে আসতে বড় ভয়! তুই আবার দেখে ফেলবি শেষে!
.
-তবু জানতে ইচ্ছে করছে যে খুব?
.
-করুক, তবু বলব না। তুই বরং ইশতিয়াককে নিয়ে সুখে থাক। তোর সাথে আমার যোগাযোগ হয়েছে, হয়তো জানলে ও খুব কষ্ট পাবে, আবার শুরু হবে সম্পর্কে সন্দেহ, ভাঙন। তুই সুখে থাক আদৃতা।
.
- আমি জানি না রে কিছু! আমার না আছে তোর কাছে ফেরার পথ, না আমি ইশতিয়াককে গ্রহণ করতে পারব মন থেকে। আমার মনের অবস্থা তুই বুঝবি না, নারীর এ হৃদয় পুরুষ কোনদিন বুঝতে পারে না। শুধু ছলনাময়ী আখ্যা দিয়ে যায়, বার বার। কিন্তু আমরা নারী এতটাই অসহায় ইতিহাস বদলানোর দুঃসাহস করি না কখনোই
শুধু মুখ বুজে সহ্য করে যাই। নিজের কৃতকর্মের ফল তো তবু ভোগ করতেই হবে আমার।
.
-এভাবে বলে শেষ বেলায় আর মায়া বাড়াসনে রে। অনুভূতিশুন্য হয়ে বেঁচে আছি, সেই আমার কাছে ঢের ভাল। এক ভবঘুরের আবার দুঃখ কি?
.
- তুই তো সারাজীবন আমাকে কবিতা শুনিয়েছিস, আজ শেষ বেলায় তোকে শেষের কবিতা থেকে আমার কিছু শুনাতে ইচ্ছে করছে রে,
.
ফিরিবার পথ নাহি;
দুর হতে যদি দেখ চাহি
পারিবে না চিনিতে অামায়।
হে বন্ধু, বিদায়।

বিভ্রান্ত বাউন্ডুলে
Share:

গ্রীক ট্রাজেডীঃ হারকিউলিস এর দুঃসাধ্য বারোটি কাজ ছবি সহ।

হারকিউলিসকে বলা হয় মর্ত্যরে সবচেয়ে শক্তিশালী মানুষ। তার ছিল অসাধারণ শক্তি প্রচণ্ড আত্মবিশ্বাস। হারকিউলিস বিশ্বাস করতেন তিনি যেই বিশ্বাসটি ধারণ করছেন, তার বিপক্ষে যেই থাকুক না কেন তিনি কখনও পরাস্ত হবেন না। তার জন্ম হয়েছিল থিবিসে। জন্মের দীর্ঘদিন পর্যন্ত তার পিতা হিসেবে সেনাপতি অ্যাম্ফিত্রিয়নকে ধরা হতো। প্রকৃতপক্ষে তার পিতা ছিলেন দেবতা-রাজ জিউস আর মাতা আল্কমিনা। সেনাপতি অ্যাম্ফিত্রিয়ন যখন এক যুদ্ধে ব্যস্ত ছিলেন তখন তার ছদ্মবেশে জিউস আল্কমিনার সঙ্গে মিলিত হন। আল্কমিনার ছিল দুই সন্তান জিউসের ঔরসে হারকিউলিস আর অ্যাম্ফত্রিয়নের ঔরসে ইফিক্লিস। দেবতা-রাজের পুত্র হওয়াতেই কিনা কে জানে শিশু বয়সেই হারকিউলিসের ছিল প্রচণ্ড শক্তি। বরাবরের মতোই জিউস-পত্নী হেরা ঈর্ষাকাতর হয়ে হারকিউলিসকে হত্যার সিদ্ধান্ত নিলেন।
হারকিউলিস এর প্রথম কাজ-

হারকিউলিস নিমিয় সিংহ বধ: প্রথম শ্রমটি ছিল নিমিয়ার সিংহ বধ করা। যে সিংহটিকে কোনো অস্ত্রই আহত করতে পারত না। প্রচণ্ড শক্তিশালী হারকিউলিস শ্বাসরোধ করে সিংহটিকে বধ করে ঘাড়ে করে মাইসিনিতে নিয়ে গেলে ইউরেন্থিউস তাকে দ্বিতীয় শ্রমের কথা জানান।

প্রথম শ্রমটি ছিল নিমিয়ার সিংহ বধ করা। যে সিংহটিকে কোনো অস্ত্রই আহত করতে পারত না। প্রচণ্ড শক্তিশালী হারকিউলিস শ্বাসরোধ করে সিংহটিকে বধ করে ঘাড়ে করে মাইসিনিতে নিয়ে গেলে ইউরেন্থিউস তাকে দ্বিতীয় শ্রমের কথা জানান। - See more at: http://www.manobkantha.com/2015/08/20/59257.php#sthash.ru0nEEU5.dpuf
হারকিউলিস এর দ্বিতীয় কাজ-
হাইড্রা বধ: দ্বিতীয় শ্রমটি ছিল লার্নায় গিয়ে সেখানকার এক জলাভূমিতে বসবাসরত হাইড্রা নামক এক নয় মাথা বিশিষ্ট প্রাণীকে হত্যা করা। হাইড্রার একটি মাথা ছিল অমর, বাকি আটটি মাথাও ছিল সমান বিপজ্জনক। হারকিউলিস যখন একটি মাথা কাটলেন তখন সেখান থেকে আর দুটি মাথা বের হলো। এ কাজে হারকিউলিসকে সাহায্য করলেন তার ভাগ্নে আয়োলাস। আয়োলাস তাকে একটি জ্বলন্ত লোহার মশাল এনে দিলেন, যা দিয়ে হাইড্রার মাথা কেটে ঘাড় ঝলসে দেয়া হলো, যেন সেখান থেকে আর কোনো মাথা গজাতে না পারে। সব মরণশীল মাথা কাটা হয়ে গেলে হারকিউলিস অমর মাথাটি এক বিশাল পাথরের নিচে চাপা দিয়ে রাখলেন। 

হারকিউলিস এর তৃতীয় কাজ-
তৃতীয় শ্রমটি ছিল সেরেনিয়াসের বনের স্বর্ণের শিং যুক্ত এক পুরুষ হরিণ জীবিত ধরে আনা, যা আর্টেমিসের প্রিয় ছিল। হরিণটিকে তিনি সহজেই হত্যা করে আনতে পারতেন, কিন্তু জীবিত ধরে আনা খুবই কষ্টকর ছিল বিধায় তার এক বছর লেগে গেল এই কাজে।
হারকিউলিস এর চতুর্থ কাজ-
এরিমেন্থাসে শূকর বধ: চতুর্থ শ্রমটি ছিল এরিমেন্থাস পর্বতের গুহায় বাস করা এক বন্য শূকর বধ করে আনা। হারকিউলিস শূকরটিকে ধাওয়া করতে লাগলেন যতক্ষণ না পর্যন্ত সেটা ক্লান্ত ও পরিশ্রান্ত হয়ে পড়ে। এরপর তিনি শূকরটিকে বধ করে আনলেন।

হারকিউলিস এর পঞ্চম কাজ-
পঞ্চম শ্রমটি ছিল রাজা অজিয়াসের আস্তাবলগুলোকে একদিনের মধ্যে পরিষ্কার করা। অজিয়াসের ছিল হাজার হাজার গরু, আস্তাবলে সেগুলোর বিষ্ঠা কখনো পরিষ্কার করা হয়নি। হারকিউলিস দুটি নদীর গতিপথ পরিবর্তন করে সেগুলোর স্রোতের প্রবাহ সেই আস্তাবলের মধ্য দিয়ে প্রবাহিত করলেন। মুহূর্তের মধ্যে জঞ্জাল পরিষ্কার হয়ে গেল।

হারকিউলিস এর ষষ্ঠ কাজ-
ষষ্ঠ শ্রমটি ছিল স্টিমফ্যামিয়নের পাখিগুলোকে তাড়িয়ে দেয়া। অসংখ্য পাখি স্টিমফ্যালিয়নবাসীর জন্য বয়ে এনেছিল অসহনীয় দুর্ভোগ। এগুলোকে ঝোপঝাড় থেকে তাড়াতে হারকিউলিসকে সাহায্য করলেন দেবী অ্যাথেনা। পোসেডোনের ষাঁড় ও হারকিউলিস।

হারকিউলিস এর সপ্তম কাজ-
সপ্তম শ্রমটি ছিল ক্রীট দ্বীপে গিয়ে মিনোসকে উপহার দেয়া পোসেইডোনের সুন্দর ষাঁড়টি নিয়ে আসা। হারকিউলিস ষাঁড়টিকে পোষ মানিয়ে নৌকায় করে ইউরেন্থিউসের কাছে নিয়ে এলেন।
হারকিউলিস এর অষ্টম কাজ-
অষ্টম শ্রমটি ছিল থ্রেসের রাজা ডায়োমিডাসের নরখাদক ঘোড়াগুলোকে নিয়ে আসা। দেবতাদের অভিশাপে নিহত ডায়োমিডাসের ঘোড়াগুলোকে হারকিউলিস বিনা বাধায় ইউরেন্থিইউসের কাছে নিয়ে এলেন।
হারকিউলিস এর নবম কাজ-
নবম শ্রমটি ছিল আমাজনদের রানী হিপ্পোলাইটির কোমরবন্ধনী নিয়ে আসা। হারকিউলিস হিপ্পোলাইটির কাছে গেলে তিনি জানালেন হারকিউলিসকে তার কোমরবন্ধনী দিয়ে দিবেন। কিন্তু হেরা এখানে এক অঘটনের জন্ম দিলেন। হেরা আমাজনদের ভাবতে বাধ্য করলেন যে হারকিউলিস হিপ্পোলাইটিকে অপহরণ করতে এসেছেন। আমাজনেরা তখন হারকিউলিসের জাহাজ আক্রমণ করে বসলো। হারকিউলিস তখন বিনা কারণেই হিপ্পোলাইটিকে হত্যা করে ফেললেন, এই ভেবে যে তার ওপর আক্রমণের সব দায়ভার হিপ্পোলাইটিরই। এরপর আমাজনদের পরাজিত করে হিপ্পোলাইটির কোমরবন্ধনী নিয়ে এলেন।
হারকিউলিস এর দশম কাজ-
দশম শ্রমটি ছিল পশ্চিমাঞ্চলীয় দ্বীপ ইরাইথিয়াতে বসবাসরত তিন মাথাবিশিষ্ট দানব গেরাইয়নের গরুগুলোকে নিয়ে আসা। সেখানে যাওয়ার পথে হারকিউলিস ভূমধ্যসাগরে স্থাপন করলেন দুটি বিশাল পাথরের স্তম্ভ, যা তখনহারকিউলিসের স্তম্ভনামে পরিচিত ছিল। বর্তমানে যা জিব্রালটার ও কিয়োটা নামে পরিচিত। সেখানে গিয়ে তিনি গরুগুলোকে খুঁজে পেয়ে ইউরেন্থিউসের কাছে নিয়ে এলেন। অ্যাটলাসের কাঁধ থেকে ভার নিচ্ছেন হারকিউলিস।
হারকিউলিস এর একাদশ তম কাজ-
একাদশ শ্রমটি ছিল হেসপেরাইডিসদের কাছ থেকে স্বর্ণ আপেল নিয়ে আসা। হারকিউলিস জানতেন না এগুলো কোথায় পাওয়া যাবে। হারকিউলিস হেসপেরাইডিসদের পিতা অ্যাটলাসের কাছে গেলেন, যিনি দুই হাতে আকাশ ধরে রাখছিলেন। তিনি হারকিউলিসকে আপেলের ব্যবস্থা করে দেবেন বলে জানালেন। হারকিউলিস প্রস্তাব করলেন যতক্ষণ না পর্যন্ত খুঁজে পান ততক্ষণ হারকিউলিস আকশের ভার বহন করবে। অ্যাটলাস যখন দেখলেন ভার বহন করার মতো কঠিন কাজ থেকে মুক্তি পাওয়ার একটা পথ আছে তখন তিনি রাজি হয়ে গেলেন। হারকিউলিসের কাঁধে আকাশ চাপিয়ে দিয়ে তিনি আপেল নিয়ে এলেন। এসে বললেন, যে তিনি নিজেই ইউরেন্থিউয়াসের কাছে আপেল পৌঁছে দেবেন। হারকিউলিস অ্যাটলাসের মনের ভাব বুঝতে অ্যাটলাসকে বললেন, কিছু সময়ের জন্য আকাশ ধরে রাখতে যেন হারকিউলিস কাঁধে নরম কাপড়ের আচ্ছাদন লাগিয়ে নিতে পারে। নির্বোধ অ্যাটলাস রাজি হলে হারকিউলিস আপেল নিয়ে দ্রুত সরে পড়লেন।
হারকিউলিস এর দ্বাদশ তম কাজ-
দ্বাদশ শ্রমটি ছিল পাতালে গিয়ে তিন মাথাবিশিষ্ট কুকুর সারবেরাসকে মর্ত্যরে আলোতে নিয়ে আসা। প্লুটো হারকিউলিসকে এই শর্তে অনুমতি দিলেন যে সারবেরাসের ওপর কোনো অত্যাচার করা যাবে না। শর্ত মেনে সারবেরাসকে কাঁধে করে হারকিউলিসকে ইউরেন্থিউসের কাছে নিয়ে এলেন। অবশ্য তাকে ইউরেন্থিউস আবার ফেরত পাঠালেন সারবেরাসকে ফিরিয়ে দিতে। বারোটি শ্রম পূর্ণ করে হারকিউলিস স্ত্রী-পুত্র হত্যার প্রায়শ্চিত্ত করলেন। ভাবার কোনো কারণ নেই যে হারকিউলিস এরপর সুখে শান্তিতে জীবনযাপন করলেন। মূলত হারকিউলিসের বিভিন্ন রোমাঞ্চকর ও কষ্টকর অভিযানের শুরুই হয়েছিল এই বারোটি শ্রমের মাধ্যমে।
 
ছবি সুত্রঃ ইন্টারনেট
কাহিনি সুত্র- উইকিপিডিয়া (12 Labors of Hercules)
Share:

এন্ডয়েড মোবাইল দিয়ে কন্ঠ পাল্টিয়ে বা মেয়ে কন্ঠে কারও সাথে কথা বলার উপায়।

আজ আমি দেখাব কিভাবে একটি এনড্রোইড এপ্স দিয়ে, খুব সহযেই মেয়ের কন্ঠে,,জে কোন কাওকে কল করা জায়
।।
ওনেকে চায় তদের friend বা girl friend কে ফোন দিয়ে বোকা বানানো।।
আজ জেই এপ্স এর কথা বলতেছি সেটি দিয়ে,,যে কোন নাম্বার এ কল করা জাবে।।।এবং এখানে আপনি চাইলে মেয়ের কন্ঠ,,বুরো লোকের কন্ঠ,, আরো ওনেক কন্ঠে কল করতে পারেন।।।
এখানে কথা বলার জন্ন আপনাকে মিনিট আর্ন করতে হবে।।।
প্রথমে একটা এপ্স ডাউনলোড দিতে হবে।
Download Links:– Download NOW
এর পর এপ্স ইন্সটাল হলে,ওপেন করুন।। এর পর আর কিছু করতে হবেনা।।সুধু মিনিট আর্ন করতে হবে।।।
নিছে কিছু ছবি দিচ্ছি,,,এই ভাবে মিনিট আর্ন করতে পারবেন।।। এখানে দিলাম ছবি কোন সমস্যা হলে নিছে কমেন্ট করুন।
Share:

January 16, 2017

কিভাবে উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেট করে? দেখে নিন কিভাবে উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেট করবেন।

আসসালামু আলাইকুম। আশা করি সবাই ভাল আছেন। নতুন উইন্ডোস ১০ অনেকেই সেটাপ/ ইন্সটল করেছেন কিন্তু ফুল ভার্শন এক্টিবেট করতে পারছেন না। তাদের জন্য আমার এই টিপসটি। এটি ১০০% কাজ করবে।কোন জামেলা ছাড়াই।
activate windows 10 in bangla
এই জন্য প্রথমেই নিচের লিংক থেকে সফটওয়ারটি ডাউনলোড করুন-
Download Here
এরপর ওপেন করুন। ওপেন করতে Winrar সফটওয়ারটি লাগবে। তাই এটি ডাউনলোড করে ওপেন করুন পাসওয়াড চাইলে-
fibd26.blogspot.com

activate windows 10 in bangla
এবার ডাউনলোড করা ফাইলটি থেকে KMS auto activator সফটওয়ারটি ওপেন করুন-
activate windows 10 in bangla
তাহলে নিচের মতো আসবে এখান থেকে Activator এ ক্লিক করুন-
activate windows 10 in bangla
এরপর আবার Active Windows এ ক্লিক করুন। তাহলে আপনা আপনিই কাজ শুরু হবে। ৩০-৫০ সেকেন্ড অপেক্ষা করুন। তাহলে নিচের মতো আসবে-
activate windows 10 in bangla
ব্যাস কাজ শেষ। এবার যাচাই করার পালা। যাচাই করতে Desktop থেকে This PC তে রাইট বোটাম ক্লিক করে Properties এ যান।
activate windows 10 in bangla
 তাহলে একদম নিচে লক্ষ্য করুন। আর চালাতে থাকেন আরামছে।
activate windows 10 in bangla


বিদায়। নতুন নতুন টিপস পেতে নিয়মিত ভিজিট করুন। এবং সাথেই থাকুন।

দেখে নিন কিভাবে উইন্ডোস ১০ সেটাপ দিতে হয় সিডি বা পেনড্রাইভ থেকে। সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল স্কিনশট সহ।
Share:

দেখে নিন কিভাবে উইন্ডোজ ১০ সেটাপ দিতে হয় সিডি বা পেনড্রাইভ থেকে। সম্পূর্ণ টিউটোরিয়াল স্কিনশট সহ।



আপনার নিজের পিসিতে উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করতে চান?এটা শুধু উইন্ডোজ এর অন্য কোন সংস্করণ ইনস্টল করার মত,যা আপনি আমাদের নির্দেশাবলী সঙ্গে  পাবেন।
আপনার প্রাথমিক/primary পিসিতে উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল করা উচিত নয়।একটি টেস্ট  কম্পিউটার অথবা একটি ভার্চুয়াল মেশিন ব্যবহার করুন।
ধাপ ১:উইন্ডোজ ভেতরের প্রোগ্রামে যোগ দিন এবং উইন্ডোজ ১০ ISO ইমেজ ডাউনলোড করুন।
ধাপ ২:আপনি একটি নিয়মিত পিসিতে ইনস্টল করে থাকেন,তাহলে একটি অপটিক্যাল ডিস্ক বার্ন বা একটি বুটেবল USB ফ্ল্যাশ ড্রাইভ তৈরি করতে পারেন।অন্যথায়, আপনার পছন্দমতো শুধু  ISO ইমেজ ব্যবহার করে ভার্চুয়াল মেশিন সফটওয়্যার দ্বারা করতে পারেন।
ধাপ ৩:বেশিরভাগ পরবর্তী বাটন/Next button ক্লিক করে এটি ইনস্টল করুন।আপনি শুধুমাত্র শব্দ “Next” মনে রেখে এটা  শুরু করতে পারেন। এখানে  ইনস্টলেশনের সবগুলি ধাপ আছে।
আপনি প্রথমে কম্পিউটার বুট করার সময় এই রকম একটি ডিসপ্লে দেখতে পাবেন:
উইন্ডোস ১০ সেটাপ

Next ক্লিক করুন এবং আপনি Install now বাটন ডিসপ্লে দেখতে পাবেন। অবশ্যই আপনাকে এখানে ক্লিক করতে হবে।

উইন্ডোস ১০ সেটাপ

এই মুহুর্তে আপনি উইন্ডোজ আপগ্রেড অথবা নতুন কাস্টম ইনস্টল করতে চান কিনা তা বাছাই করতে পারেন।আমরা যেহেতু একটি ভার্চুয়াল মেশিনে বা একটি টেস্ট পিসিতে এটি ইনস্টল করব, সেহেতু আমরা এখানে কাস্টম নির্বাচন করব।

উইন্ডোস ১০ সেটাপ
এই মুহুর্তেআপনাকে উইন্ডোজ ১০ কথাই স্থাপন করবেন তা বাছাই করতে হবে। আপনার কিছু  মুছে ফেলতে অথবা একটি পার্টিশন নির্মাণ করার প্রয়োজন হতে পারে , কিন্তু আপনি যদি একটি ভার্চুয়াল মেশিন ব্যবহার করে থাকেন তাহলে, আপনাকে কেবল “Next” ক্লিক করতে হবে।
উইন্ডোস ১০ সেটাপ
এখন এটি ইনস্টল হবে।
উইন্ডোস ১০ সেটাপ
পিসি আবার রিবুট করার পরে,আপনার উইন্ডোজ আপডেট সক্রিয়/Enable আছে কি না  তার সেটিংসে দেখানো হবে (তারা প্রিভিউ নিষ্ক্রিয়/Disable করার অনুমতি দেয় না)আমরা শুধু এক্সপ্রেস সেটিংস ব্যবহার করে দেখিয়েছি।
উইন্ডোস ১০ সেটাপ
এবং এখন আপনি আপনার Microsoft অ্যাকাউন্ট সাইন ইন করতে পারেন। এখানে আমরা  একটি Microsoft অ্যাকাউন্ট ব্যবহার করার কথা বলব,কারণ যদি আপনি এটা না করেন তাহলে আপনি নতুন ফিচারের অর্ধেক ব্যবহার করতে সক্ষম নাও হতে পারেন এবং এক্ষেত্রে আপনি  লিনাক্স ও উইন্ডোজ ৭ ব্যবহার করতে পারেন।
উইন্ডোস ১০ সেটাপ
আপনি সঠিকভাবে আপনার অ্যাকাউন্ট সেটআপ করেছেন কি না তা সম্ভবত মাঝখানে আপনাকে এটা যাচাই করতে বলা হবে।আমরা এই আর্টিকেলটি  এখানে বাদ দিয়েছি, কিন্তু  এটা খুবই সহজ ব্যাপার।
এখন আপনি কিভাবে পিসি সেটআপ করবেন তা এখানে বলা হবে।যেহেতু আমরা চেয়েছিলাম একটা নতুন কম্পিউটারে সবকিছু টেস্ট করতে,তাই আমরা Set it up as a new PC instead বাছাই করব। কিন্তু আপনি যদি চান আপনার কম্পিউটারের সব সেটিংস্‌ কপি করে অন্য কম্পিউটারে নিতে পারেন।
উইন্ডোস ১০ সেটাপ
OneDrive ব্যবহার করতে চান?এটা চমত্কারভাবে উইন্ডোজের মধ্যে একত্রিত হয়, তাই এখন আমরা এটাকে বাদ দিব।
উইন্ডোস ১০ সেটাপ
এবং এখন আমারা একটা কালারফুল ডিসপ্লে দেখেতে পাচ্ছি,এখানে কিছু ঘটছে।
উইন্ডোস ১০ সেটাপ
এবং পরিশেষে, আমরা ডেস্কটপে উপস্থিত।
উইন্ডোস ১০ সেটাপ
এখন স্টার্ট বাটনে ক্লিক করুন।এবং আপনি যা যা চান তা নির্বাচন করুন। 

কিভাবে উইন্ডোস ১০ এক্টিভেট করে? দেখে নিন কিভাবে উইন্ডোস ১০ এক্টিভেট করবেন।

 TAG:
উইন্ডোজ ১০,উইন্ডোস ১০,উইন্ডোজ ১০ ইনস্টল,উইন্ডোজ ১০ সেটআপ,উইন্ডোজ ১০ মোবাইল আপডেট,উইন্ডোজ ১০ এক্টিভেট,উইন্ডোজ ১০ টিপস
উইন্ডোজ ১০ আপডেট বন্ধ,উইন্ডোজ ১০ এর সুবিধা,উইন্ডোজ ১০ সমস্যা,উইন্ডোজ ১০ এর সুবিধা অসুবিধা,উইন্ডোজ ১০ ডাউনলোড,উইন্ডোজ ১০,এক্টিভেটর,উইন্ডোজ ১০ একটিভ করার নিয়ম,উইন্ডোজ ১০ ইন্সটল,উইন্ডোজ ১০ ফোন,উইন্ডোজ ১০ মোবাইল
Share:

Assassin's Creed 3 অসাধারন একটি জাবা গেইম ডাউনলোড করে নিন।

জাবা ব্যবহার কারীরা যদিও ভাল ভাল গেইমস খেলতে পারবেন না তবুও এই গেইম খেলে অনেক মজা পাবেন।

নামঃ Assassin's Creed 3


Download Links:
Download Now (279kb)

Assassin's Creed 3 Mobile game Assassin's Creed 3 - screenshots. Gameplay Assassin's Creed 3. Download free mobile game: Assassin's Creed 3 - download free games for mobile phone. Download free game for mobile phone: Assassin's Creed 3 - download mobile games for free. Mobile game Assassin's Creed 3 - screenshots. Gameplay Assassin's Creed 3. Mobile game Assassin's Creed 3 - screenshots. Gameplay Assassin's Creed 3.
Mobile game Assassin's Creed 3 - screenshots. Gameplay Assassin's Creed 3. Mobile game Assassin's Creed 3 - screenshots. Gameplay Assassin's Creed 3.

Search Tag:
assassin's creed 3 java game,assassin's creed 3 java 240x320,assassin's creed 3 java apk,assassin's creed 3 java phoneky,assassin's creed 3 java 320x240 download,assassin's creed 3 java game 128x160,assassin's creed 3 java game phoneky,assassin's creed 3 java gameloft,assassin's creed 3 java cheats,assassin's creed 3 java mobile9,assassin's creed 3 java,assassin's creed 3 java game 240x320,assassin's creed 3 java android,assassin creed 3 java game download,assassin's creed 3 java mobile game download,assassin's creed 3 java free download,baixar assassin creed 3 java,baixar assassin's creed 3 java 320x240,baixar assassins creed 3 java touch,baixar assassin's creed 3 java 240x320,assassin's creed 3 em português br versão java,baixar assassin's creed 3 para celular java,baixar assassin's creed 3 para celular java 320x240,assassin's creed 3 java chomikuj,assassin's creed 3 para celular java,cheat assassin's creed 3 java game,assassin's creed iii java chomikuj,assassin's creed 3 celular java 320x240,tai game assassin's creed 3 cho java,jogos para celular java assassin's creed 3,assassin's creed 3 para celular java gratis,assassin's creed 3 java download,assassin's creed iii java download,assasin creed 3 java download,assassin's creed iii java game download,assassin's creed iii java game free download,assasins creed 3 java game free download,download game assassin creed 3 java jar,assassins creed 3 java descargar,assassins creed 3 java 240x320 español,assassin creed 3 java free,assassin's creed 3 for java,assassin's creed 3 free java game,assassin's creed 3 java game for download,assasin creed 3 game for java,assassin's creed 3 for java 320x240,assassin's creed 3 java game touchscreen,assassin's creed 3 java game 176x208,assassin creed iii java game,download game assassin's creed 3 untuk hp java,assassin's creed iii - java - gameplay complet hd,assasin creed 3 java indir,assassin's creed 3 java indir,assassin creed 3 java jar,download game assasin creed 3 java jar,assassin's creed 3 jar download game java free jad mobile,assassin's creed 3 jogo java,assassin's creed 3 mobile java 240x320,assassin creed 3 java na telefon,assassin creed 3 java mob org,assasin creed 3 java peperonity,assassin creed 3 para java,descargar assassins creed 3 para java,descargar assassins creed 3 para java 320x240,assassin's creed 3 java peperonity,assassin's creed 3 java pl,descargar assassins creed 3 para java gratis,assassin creed 3 touch screen java game,assassin's creed 3 java touch screen,assassin's creed 3 java touch screen download,download game assassin's creed 3 java touch screen,assassin's creed 3 java samsung,assassin creed 3 java touch screen 240x320,assassin creed 3 java touch,assassin's creed 3 java touch 240x320,assassin's creed 3 java touch download,assassin's creed 3 java 240x320 touchscreen,assassin's creed 3 240x320 touch screen java game,assassin's creed 3 java 240x400 touchscreen,download assassins creed 3 untuk java,assassin creed 3 java 128x160,assassin's creed 3 java 176x220,download assassin's creed 3 for java 176x220,assassin's creed 3 java 176x208,assassin's creed 3 java 240x400,assassin's creed 3 java 240x320 touch,assassin's creed 3 java 220x176,assassin's creed 3 java 240x400 download,assassin's creed iii java 240x320,assassin's creed 3 240x320 java game download,assassin's creed 3 240x320 java games,assassin's creed 3 java 320x240,assassin creed 3 java 320x480,assassin creed 3 320x240 java game,assassin's creed iii java 320x240,descargar assassins creed 3 java 320x240,download game assassin creed 3 java 320x240,assassin's creed 3 java 3gplay,assassin's creed 3 para celular java 320x240,assassin's creed 3 java 400x240,assassin's creed 3 java 480x800,assassin's creed 3 for java touch screen
Share:
Copyright © Fibd - Tips & Trick Sharing BD | Powered by Blogger Design by ronangelo | Blogger Theme by NewBloggerThemes.com|Distributed By Blogger Templates20